
জম্মু-কাশ্মীরের নওগাঁও পুলিশ স্টেশনে শুক্রবার রাতে বিস্ফোরণের ঘটনায় গুরুতর আহত হলেন আট জন পুলিশকর্মী। ফারিদাবাদ থেকে উদ্ধার হওয়া বিপুল বিস্ফোরক সামগ্রীর নমুনা সংগ্রহের সময়ই ঘটে এই দুর্ঘটনা। বিস্ফোরণের পর গোটা এলাকা সিল করে তদন্ত শুরু করেছে নিরাপত্তা সংস্থাগুলি।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সাদা কলারের জঙ্গি মডিউল মামলায় ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে ফারিদাবাদের একটি ভাড়া বাড়ি থেকে মোট ৩৬০ কেজি বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়। ওই বাড়িটি ব্যবহার করতেন ডা. মুজ্জামিল গণাই নামে এক ব্যক্তি, যিনি ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হওয়া আট অভিযুক্তের মধ্যে অন্যতম। উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরকগুলি নওগাঁও থানায় রাখা ছিল এবং সেখানেই নমুনা পরীক্ষা চলছিল।
তদন্তকারীদের দাবি, বিস্ফোরণটি সম্পূর্ণভাবে দুর্ঘটনাজনিত। তবে থানার ভেতরে ঠিক কত পরিমাণ বিস্ফোরক রাখা হয়েছিল, তা নিয়ে এখনও স্পষ্ট তথ্য মেলেনি। বিস্ফোরণের ফলে আহত পুলিশকর্মীদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং তাদের চিকিৎসা চলছে।
এই ঘটনার পর সাদা কলারের জঙ্গি মডিউল নিয়ে নতুন প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। পুলিশ মনে করছে, একটি সুপরিকল্পিত নেটওয়ার্কের সাহায্যে বিস্ফোরকগুলি রাজ্য থেকে রাজ্যে পাচার হচ্ছিল। কাশ্মীর পুলিশের কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স ইউনিটও সমান্তরালে একাধিক স্থানে তল্লাশি চালাচ্ছে।
নওগাঁও থানার বিস্ফোরণ নিরাপত্তা পরিকাঠামোর ওপর চাপ বাড়াচ্ছে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরকের পরিমাণ, গ্রেফতার হওয়া সন্দেহভাজনদের নেটওয়ার্ক এবং বিস্ফোরণের প্রকৃতি সব মিলিয়ে তদন্ত আরও জোরদার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, অভিযানে আরও তথ্য উঠে আসতে পারে।
