পহেলগাঁও হামলার জবাবে পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরে অপরেশন সিঁদুর অভিযান চালিয়ে ৯টি জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করে দিয়েছে ভারতীয় সামরিক বাহিনী। ভারতের সেই অভিধানে বেশকিছু সংখ্যক জঙ্গি গোষ্ঠী গুলির নেতা সহ সন্ত্রাসবাদীরা মারা গিয়েছেন। তারপর থেকে ভারতের সঙ্গে বারবার সংঘাতে মুখোমুখি হয়েছে পাক সেনা। আপাতত সেই সংঘাত। যদিও পাকিস্তানের প্রতি ভারত বারবার বার্তা দিয়েছে, সন্ত্রাসবাদ পুরোপুরি ভাবে নির্মূল না করা পর্যন্ত সিন্ধু জল চুক্তি কিংবা বাণিজ্য নিয়ে কোন কথা হবে না দুই দেশের মধ্যে।
কিন্তু ভারতের প্রতি ডোন্ট কেয়ার মনোভাব পাকিস্তানের শেহবাজ সরকারের। ফের সন্ত্রসবাদকে মদত দেওয়ার পথেই তারা। যে সকল জঙ্গি ঘাঁটিতে ভারত অভিযান চালিয়েছিল, এবার সেখানে মৃত জঙ্গিদের পরিবারকে সহায়তার জন্য ৫৩২ বিলিয়ন পাকিস্তানি রুপি বরাদ্দ করলো পাকিস্তানের সরকার। পাক অধিকৃত কাশ্মীরের সরকারকে এই অর্থ দিয়েছে ইসলামাবাদ।
এর আগে খবর মিলে ছিল, হাফিজ সইদকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ১৪ কোটি টাকা দিতে চলেছে পাক সরকার। প্রসঙ্গত, ভারতের চালানো অপারেশন সিঁদুরে নিহত হয়েছে হাফিজ সইদের ভাই সহ তার পরিবারের মোট ১৪ জন। এই আবহে প্রতি মৃত ব্যক্তির জন্য এক কোটি টাকা করে পাকিস্তান সরকার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় হাফিজ সইদকে। স্বাভাবিকভাবেই, সরাসরি এক জঙ্গি নেতার হাতে টাকা দেওয়া মানে তার সন্ত্রাসবাদের জন্য অর্থায়ন করা ছাড়া আর কিছুই নয়।
অভিযোগ, ক্ষতিপূরণের নামে জইশ-ই-মহম্মদ এবং লস্কর-ই-তৈবার মতো জঙ্গি সংগঠনকে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে অর্থ সাহায্য করছে পাকিস্তান সরকার। সেই নিয়ে উদ্বেগে ভারত। ইতিপূর্বে পাকিস্তানকে আইএফের অর্থ সাহায্যের বিরোধিতা করে ভোটাভুটি থেকে বিরত ছিল ভারত। সেই সময় ভারত সরাসরি দাবি করেছিল, এই অর্থ পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদের উত্থানে কাজে লাগায়। ভারতের সেই মন্তব্যকেই এবার সত্যি প্রমাণ করে জঙ্গিগোষ্ঠীর হাতে টাকা তুলে দিচ্ছে পাক সরকার।
