তিনি দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। দেশের সবথেকে বড় রাজনৈতিক দল বিজেপির সেকেন্ড ইন কমান্ডও, নিজে বড় মাপের ব্যবসায়ীও। তাঁর সন্ন্যাসের কথা তো চমকে দেওয়ার মতই। যদিও বলা হয় রাজনীতিতে সন্ন্যাস বলে কোনও শব্দ হয় না। কিন্তু বছর ৬০-এর পোড় খাওয়া রাজনীতিবিদ অমিত শাহ কি সত্যিই সন্ন্যাস নিতে চলেছেন? এমন প্রশ্নই উঠে এল যখন ভরা সভায় তিনি জানালেন তাঁর অবসর জীবনের পরিকল্পনার কথা। সেই সময় কি করতে চান, কী ভাবে জীবন কাটাতে চান, সবটাই জানালেন।
জাজবাত বাংলায় আরও পড়ুন
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এক সভায় জানালেন, অবসরে কী করতে চান। রাজস্থান, গুজরাট এবং মধ্যপ্রদেশের নারী ও সমাজ কর্মীদের সঙ্গে আলাপচারিতার সময় শাহ বলেন, “আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে অবসরের পর বাকি জীবন বেদ, উপনিষদ পাঠ এবং জৈব কৃষিতে উৎসর্গ করব।” যদিও বেদ-উপনিষদ অর্থাৎ হিন্দু ধর্মে নিজেকে উৎসর্গ কী ভাবে করবেন তা খোলসা করেননি শাহ।
আরও পড়ুন
তিনি আরও বলেন, “আমি জৈব চাষে এই কারণে মন দিতে চাই যে, এখনও যে ভাবে নানা রাসায়নিক প্রয়োগ করে ফসল উৎপাদন করা হচ্ছে, তাতে গোটা মানবজাতি ভুগছে। রাসায়নিক সার দেওয়া গম খেলে ক্যান্সারের মত অসুখ হয়। এ ছাড়া শরীরে ব্লাডপ্রেসার, ডায়াবেটিজ, থাইরয়েডের মত নানা সমস্যা দেখা দেয়। কিন্তু রাসায়নিক সার ছাড়া এক দিকে যেমন মাটির উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, আবার সুস্বাস্থ্যের জন্য তা অতি প্রয়োজনীয়।” মঞ্চে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর যুব সমাজের কাছে সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রতিদিন দু’ঘন্টা করে ব্যায়াম করার পরামর্শ দেন। বলেন, “যুব সমাজ আমাদের সমাজের আগামী ভীত। তাদের কাছে এখনো দেশের কাজে যুক্ত হওয়ার জন্য ৪০-৫০ বছর রয়েছে, তারা নিজেদের উপযুক্ত করতে এর মধ্যে তৈরি করুক।
