বিশ্বকে তিনি যেভাবে চালাবেন ভেবেছিলেন ঠিক সেপথে যে চলা যাচ্ছে না সম্ভবত হারে হারে টের পাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।ক্ষমতায় এসেই যে ইউক্রেন যুদ্ধ থামিয়ে দেবেন ভেবেছিলেন তা এখনও বিশ বাঁও জলে। আলাস্কায় স্বয়ং রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বটে তবে তাতে সাফল্য আসে নি। এবার পুতিনকে কব্জা করতে ভারতের উপর শুল্ক চাপিয়ে যে তিনি ঠিক পথে হাঁটেন নি তা স্পষ্ট জানিয়ে দিল ডেমোক্র্যাট নিয়ন্ত্রিত হাউস ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটি।
সদ্য রাশিয়া থেকে তেল কেনায় ভারতের উপর শুল্কের হার ৫০ করেছেন ট্রাম্প।গোটা বিশ্বে ব্রাজিলের পাশাপাশি ভারতীয় পণ্যের ওপরই সর্বোচ্চ শুল্ক আরোপ করেছেন ট্রাম্প।মার্কিন প্রেসিডেন্টের ভাবনা ছিল এতে দিল্লি মস্কো থেকে তেল কেনা অচিরেই বন্ধ করবে।পাশাপাশি তার জেরে বেশ বিপাকে পড়বেন ভ্লাদিমির পুতিন যা তাঁকে যুদ্ধ থামাতে বাধ্য করবে। কিন্তু ট্রাম্পের এমন পথ কায়দা করতে পারে নি ভারত বা রাশিয়া কোনও দেশকেই। দিল্লি একে অন্যায়, অযৌক্তিক এবং অগ্রহণযোগ্য বলে নিন্দা করেছে।পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্পষ্ট বার্তা দিয়ে বলেছেন, দেশের স্বার্থের সঙ্গে কোনও আপস করা হবে না।
মার্কিন কংগ্রেসের ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটি ট্রাম্পের এই নীতির কড়া সমালোচনা করে বলেছে ‘এককে মেরে অন্যকে শিক্ষা’র এই পদক্ষেপ ভ্লাদিমির পুতিনকে ইউক্রেন যুদ্ধ চালিয়ে যেতে আটকাতে পারবে না। তাদের মতে, ট্রাম্প যদি সত্যিই রাশিয়ার আগ্রাসন ঠেকাতে চান তবে শাস্তি দেওয়া উচিত সরাসরি পুতিনকে। পাশাপাশি সামরিক সহায়তা দেওয়া উচিত ইউক্রেনকে।
সোজা কথা ডেমোক্র্যাট শিবিরের দাবি ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন শুল্ক নীতি আমেরিকা-ভারত সুসম্পর্কে প্রভাব ফেলছে, যা মোটেই কাম্য নয়।বরং ট্রাম্পের উচিত সরাসরি পুতিনকে লক্ষ্য করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া যা ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করতে সহায়ক হবে।
Jazzbaat24Bangla • Beta
Leave a comment
Leave a comment
