ভারতীয় পেসারদের ফিটনেস নিয়ে সন্তুষ্ট নন কোচেরা। ফলে এবার নতুন ফিটনেস টেস্টের আমদানি হল দলে। সদ্য সমাপ্ত ইংল্যান্ড সিরিজে একমাত্র মহম্মদ সিরাজই ৫ টি টেস্ট খেলেছেন। এ ছাড়া ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের কারণে জশপ্রীত বুমরাহকে খেলানো হয় মাত্র ৩ টি ম্যাচ। আকাশ দীপ, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণরাও সব ম্যাচে খেলতে পারেননি। বোলারদের এহেন করুণ দশা দেখে রাগবির ধাঁচে ব্রঙ্কো টেস্ট চালু হয়েছে টিম ম্যানেজমেন্ট।
এক সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের রিপোর্টে বলা হয়েছে, এই ব্রঙ্কো টেস্টের ভাবনা গত জুন মাসে দায়িত্ব নেওয়া স্ট্রেনথ এবং কন্ডিশনিং কোচ আদ্রিয়ান লে রু’র মস্তিষ্কপ্রসূত। তাঁর মতে, পেসারদের জিমে বেশিক্ষণ কাটানোর প্রয়োজন নেই। তার চেয়ে তাঁরা যদি বেশি করে দৌড়ঝাঁপ করেন সেটাই লাভদায়ক হবে। জানা যাচ্ছে, হেড কোচ গৌতম গম্ভীরও এই বিষয়ে এক মত। ফলে যৌথভাবে ব্রঙ্কো টেস্টের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে দলে।
ফিটনেসের জন্য এতদিন ইয়ো ইয়ো টেস্টের ওপরই নির্ভর করে এসেছে ভারতীয় ক্রিকেট। এই ইয়ো ইয়ো টেস্টে পাশ করতে না পারায় শেষ হয়ে গিয়েছে অনেক ক্রিকেটারেরই কেরিয়ার। এমনকি এই তালিকায় দু-একজন তারকাও রয়েছেন। তবে ব্রঙ্কো টেস্টের বিষয়টি পুরোপুরি আলাদা। এই টেস্ট দিতে সাধারণত দেখা যায় রাগবি খেলোয়াড়দের। ব্রঙ্কো টেস্টে প্রথমে ২০ মিটার দৌড়ে আবার স্টার্টিং পয়েন্টে ফিরে আসতে হয়। এর পর ৪০ মিটার দৌড়ে ফেরত আসতে হয়।
তার পর আবার ৬০ মিটার দৌড়ে ফিরতে হয়। এই পুরো প্রক্রিয়াটি হল একটি সেট। এ ভাবে এক বারে মোট পাঁচটি সেট সম্পূর্ণ করতে একজন ক্রীড়াবিদকে মোট ১,২০০ মিটার দৌড়তে হয়।
জানা গিয়েছে, ভারতীয় ক্রিকেটারদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ৫ মিনিটের মধ্যে এই পাঁচটি সেট সম্পূর্ণ করতে। দলের এক সূত্র জানিয়েছেন, বিসিসিআইয়ের সঙ্গে বার্ষিক চুক্তিতে থাকা বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার ইতিমধ্যেই বেঙ্গালুরুতে ব্রঙ্কো টেস্ট দিয়েছেন। সেই সঙ্গে জোরে বোলারদের বলা হয়েছে তাঁরা যেন জিমে বেশিক্ষণ সময় না কাটিয়ে দৌড়ে মনোনিবেশ করেন।
