ভারতের উপর ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত ৫০ শতাংশ শুল্ক যখন শেয়ার বাজারে বিনিয়োগকারী থেকে অর্থনীতিবিদ সকলের কপালেই চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে তখনই এল ভাল খবর। বিখ্যাত বহুজাতিক পেশাদার আর্থিক পরামর্শদাতা সংস্থা এর্নস্ট অ্যান্ড ইয়ং-এর সাম্প্রতিক এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, বর্তমান বৃদ্ধি যদি অব্যাহত থাকে তাহলে ২০৩৮ সালের মধ্যে ‘পারচেজিং পাওয়ার প্যারিটি’র ভিত্তিতে ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হবে। যেখানে জিডিপি দাঁড়াবে আনুমানিক ৩৪.২ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার আর সামনে থাকবে কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ।
এই মুহূর্তে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি ভারত। কিন্তু কীসের ভিত্তিতে বলা হচ্ছে ভারতের আরও অগ্রগতির কথা? রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভারতের শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তি, নবীন ও তরুণ জনসংখ্যা, রাজস্ব শৃঙ্খলা এবং কাঠামোগত সংস্কারের ফলে তা আগামী কয়েক দশকে বিশ্বের অর্থনৈতিক সিঁড়ি বেয়ে দ্রুত উপরে উঠবে।
বিশ্বের অন্য বড় অর্থনীতির তুলনায় ভারতের অর্থনীতির একটা তুলনাও করে হয়েছে এই রিপোর্টে। বলা হয়েছে ভারতের আগে থাকা জার্মানি ও জাপানের বয়স্ক জনসংখ্যা প্রচুর এবং এই দেশগুলো বৈদেশিক বাণিজ্যের ওপর অতিরিক্ত নির্ভর করে। অন্যদিকে চিনও তার জনসংখ্যায় দ্রুত বার্ধক্য সমস্যার মুখে। আর ট্রাম্পের দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উপর রয়েছে বিপুল ঋণের চাপ। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে ভারতের বিপুল কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী দীর্ঘ মেয়াদে অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। পাশাপাশি গোটা বিশ্বের বাজারে বাণিজ্য মন্থর হলেও শক্তিশালী দেশীয় বাজার অর্থনীতিকে সচল রাখবে। কাজেই অন্যরা ধাক্কা খেলে বা থমকে গেলেও এগিয়ে যাবে ভারত।
