টেক্সাসের ডালাসে গত সপ্তাহে ভারতীয় নাগরিক চন্দ্র নাগামল্লাইয়া-কে এক অবৈধ কিউবান অনুপ্রবেশকারীর হাতে হাতে নির্মমভাবে খুন ও শিরশ্ছেদের ঘটনাকে ঘিরে শোরগোল পড়ে যায়। এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি আমেরিকা থেকে এরকম অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের সরানোর কথা জানিয়েছেন। তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, অভিযুক্তকে ‘প্রথম-ডিগ্রির হত্যাকাণ্ডের’ অভিযোগে আইনের সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হবে এবং আমেরিকাকে আবার নিরাপদ জায়গায় পরিণত করবে তাঁর প্রশাসন।
ট্রাম্প তাঁর ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টে লেখেন, “আমি ডালাস, টেক্সাসের সম্মানীয় চন্দ্র নাগামল্লাইয়ার ভয়াবহ হত্যার ঘটনা সম্পর্কে জেনেছি। তিনি তাঁর স্ত্রী ও সন্তানের সামনে এক অবৈধ কিউবান অভিবাসীর হাতে নৃশংসভাবে খুন হন ও তাঁর মাথা কেটে নেওয়া হয়। ওই অপরাধীকে কখনোই আমাদের দেশে থাকার অনুমতি দেওয়া উচিত ছিল না।” মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও জানিয়েছেন, “নিশ্চিত থাকুন, আমার প্রশাসনে অবৈধ অপরাধী অভিবাসীদের প্রতি নরম নীতির দিন শেষ।”
ঘটনাটি ঘটে ১০ সেপ্টেম্বর। ৪১ বছরের নাগামল্লাইয়া-কে ডালাসের স্যামুয়েল বুলেভার্ডের ডাউনটাউন সুইটস মোটেলে হামলা চালিয়ে হত্যা করা হয়। এর ঘটনায় ৩৭ বছরের অভিযুক্ত ইয়োরদানিস কোবো-মার্টিনেজ-কে গ্রেফতার করে তার বিরুদ্ধে ‘ক্যাপিটাল মার্ডার’ এর অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগ, সে নাগামল্লাইয়াকে শিরশ্ছেদ করে তার মাথা ডাস্টবিনে ফেলে দেয়।
ট্রাম্প অভিযোগ করেন, বাইডেন প্রশাসনের সময়ই মার্টিনেজকে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল, যদিও তাঁর বিরুদ্ধে শিশুদের যৌন নির্যাতন, গাড়ি চুরি ও বেআইনি আটকসহ একাধিক গুরুতর অভিযোগ ছিল। যদিও তাকে আমেরিকায় ফেরত পাঠায় কিউবা। বর্তমানে এই অপরাধী পুলিশি হেফাজতে রয়েছে। ট্রাম্প দাবি করেছেন আমেরিকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সচিব ক্রিস্টি নোয়েম, অ্যাটর্নি জেনারেল প্যাম বন্ডি, বর্ডার সচিব টম হোম্যান এবং প্রশাসনের অন্যান্য কর্তারা বিষয়টি দেখছেন।
