
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা যুদ্ধের অবসানের পর তার ২০-দফা শান্তি পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপ ঘোষণা করেছেন। এ ধাপের মূল অংশ হিসেবে “বোর্ড অফ পিস” গঠন করা হবে, যা গাজার অন্তর্বর্তীকালীন টেকনোক্র্যাটিক সরকার পরিচালনা ও পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় নেতৃত্ব দেবে। ট্রাম্প নিজেই বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
ট্রাম্পের তরফে জানানো হয়েছে, যুদ্ধবিরতির সময় মার্কিন দল গাজায় রেকর্ড পরিমাণ মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিয়েছে। তিনি বলেছেন, “রাষ্ট্রসংঘও এই মানবিক সাফল্যকে অভূতপূর্ব হিসেবে স্বীকার করেছে।” বোর্ডের মাধ্যমে গাজার জন্য একটি নতুন প্যালেস্টাইন টেকনোক্র্যাটিক প্রশাসন গঠন করা হবে, যার প্রধান লক্ষ্য হলো শান্তি ও পুনর্গঠন নিশ্চিত করা।
পরবর্তী পদক্ষেপে হামাসের সঙ্গে বিস্তৃত নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি কার্যকর হবে। এর মধ্যে রয়েছে সমস্ত অস্ত্র আত্মসমর্পণ এবং সমস্ত টানেল ধ্বংস। ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, হামাস এই প্রক্রিয়ায় বাধা দিলে “কঠিন ফলাফলের” মুখোমুখি হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, “গাজার মানুষ যথেষ্ট ভুগেছে। এখনই সময় শক্তির মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠার।”
মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ বলেন, নতুন প্রশাসন ন্যাশনাল কমিটি ফর দ্য অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অফ গাজা (NCAG) দ্বারা পরিচালিত হবে। যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলে মানবিক সহায়তা এবং অবকাঠামো পুনর্গঠন প্রধান অগ্রাধিকার হবে।
এর আগে ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনার প্রথম ধাপ বাস্তবায়িত হয়েছিল। এতে যুদ্ধবন্দিদের মুক্তি, যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলে সহায়তা প্রদান এবং সংঘাত বন্ধ করা সম্ভব হয়েছিল।
মিশর, তুরস্ক ও কাতারের মধ্যস্থতায় দ্বিতীয় ধাপে গাজায় স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালানো হবে, যেখানে ট্রাম্প সরাসরি নেতৃত্ব দেবেন।
