
কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) বৃদ্ধি নিয়ে আবারও জোরদার আলোচনা শুরু হয়েছে। সাধারণত প্রতি বছর জানুয়ারি ও জুলাই মাসে ডিএ সংশোধন করা হলেও, এবারের ক্ষেত্রে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি। ফলে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের মধ্যে অপেক্ষা ও জল্পনা বাড়ছে।
প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, জানুয়ারির ডিএ বৃদ্ধির ঘোষণা সাধারণত মার্চ মাসের মধ্যে হয়ে থাকে। তবে এবছর এপ্রিল মাসেও কোনও ঘোষণা না আসায় বিষয়টি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে। বিশেষ করে ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে কার্যকর হওয়ার সম্ভাব্য ডিএ বৃদ্ধির দিকে তাকিয়ে রয়েছেন লক্ষ লক্ষ কর্মী ও পেনশনভোগী।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মুদ্রাস্ফীতির চূড়ান্ত তথ্য এবং অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক অনুমোদন সম্পন্ন হওয়ার পরই ডিএ ঘোষণা করা হয়। তাই সময় কিছুটা দেরি হলেও তা ধাপে ধাপে ঘোষণা করার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকারের মধ্যে।
এদিকে প্রশাসনিক সূত্রে ধারণা, এবার ডিএ ৫৮ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৬০ শতাংশ হতে পারে। অর্থাৎ অন্তত ২ শতাংশ বৃদ্ধি হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। যদিও কিছু মহলের দাবি, এই বৃদ্ধি ৩ থেকে ৪ শতাংশ পর্যন্তও হতে পারে। তবে এখনো পর্যন্ত সরকারি তরফে কোনও চূড়ান্ত ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।
প্রসঙ্গত, প্রতি বছর উৎসবের সময় বা গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক বৈঠকের পর ডিএ ঘোষণা নিয়ে প্রত্যাশা তৈরি হয়। কিন্তু এবার দোলের সময় বা মার্চ মাসেও কোনও ঘোষণা না আসায় কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ ও অপেক্ষা দুটোই বেড়েছে। অনেকেই আশা করছেন, নববর্ষের সময় এই বিষয়ে কোনও সুখবর আসতে পারে।
ডিএ বৃদ্ধি সংক্রান্ত এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের মাসিক আয় কিছুটা বাড়বে, যা বর্তমান মূল্যবৃদ্ধির পরিস্থিতিতে বড় স্বস্তি হিসেবে দেখা হবে।
কেন্দ্রের ডিএ ঘোষণা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা থাকলেও আগামী দিনে এই বিষয়ে বড় কোনও সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
