সুদীপ্ত চট্টোপাধ্যায়
ভারত-পাক যুদ্ধের আবহে পশ্চিমবঙ্গের উপকূল সীমান্তে হাই এলার্ট জারি করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সীমান্তবর্তী দশ রাজ্যের বৈঠকে বাংলাদেশ লাগোয়া দক্ষিণ 24 পরগনা ও সুন্দরবন পুলিশ জেলার উপকূল সীমান্তে চলছে চব্বিশ ঘন্টার নজরদারি। বিশেষ করে নজরদারি তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে জলপথে। বাংলাদেশকে করিডোর হিসেবে ব্যবহার করে পাক মদনপুষ্ট জঙ্গিরা ই রাজ্যে ঢুকে পড়তে পারে এরকম সন্দেহের কথা কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে এই বিষয়টি যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা করা হয়েছে বলে খবর। তারপর থেকেই দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার গঙ্গাসাগর কাকদ্বীপ নামখানা পাথরপ্রতিমা ক্যানিং বাসন্তী ও গোসাবা এলাকায় বিশেষ করে নদীপথে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। গঙ্গাসাগর ও মোহনায় এলাকায় বাড়তি সতর্কতা রাজ্যের উপকূলবর্তী থানার জলপুলিশও। জলপথে পেট্রোলিন বাড়ানোর পাশাপাশি অতিরিক্ত স্পিডবোট নামানো হয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা সুন্দরবন পুলিশ জেলার উপকূলবর্তী এলাকায়। সুন্দরবন পুলিশ জেলার সমস্ত উপকূলবর্তী থানায় হাই এলার্ট জারি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার কোটেশ্বর রাও। অনুপ্রবেশ এবং জলপথে হামলার আশঙ্কা থেকেই দক্ষিণের জল সীমান্ত বরাবর ২৪ ঘন্টা ধরে চূড়ান্ত সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।
