
ইরানের ওপর ভয়াবহ সামরিক অভিযানের খতিয়ান পেশ করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি, মার্কিন হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই এবং দেশটির সমগ্র সামরিক কমান্ড নির্মূল হয়ে গেছে। ইরান এখন পতনের দোরগোড়ায় এবং হাজার হাজার ইরানি সেনা প্রাণের ভয়ে আত্মসমর্পণের জন্য মার্কিন বাহিনীর কাছে আর্জি জানাচ্ছেন।
হোয়াইট হাউস থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, মার্কিন বাহিনী ইরানের শত শত কৌশলগত জায়গায় নিখুঁত আঘাত হেনেছে। এর মধ্যে রয়েছে ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কোরের (IRGC) ঘাঁটি এবং ইরানের অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। ট্রাম্প আরও যোগ করেন, “মাত্র কয়েক মিনিটের ব্যবধানে আমরা ইরানের ৯টি যুদ্ধজাহাজ এবং তাদের নৌ-সদরদফতর গুঁড়িয়ে দিয়েছি।”
ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের পতনের পর দেশটির সামরিক বাহিনীতে চরম বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, “ইরানের পুরো সামরিক কমান্ড এখন অতীত। তাদের অনেক সেনাই এখন প্রাণ বাঁচাতে আত্মসমর্পণ করতে চায়। তারা দায়মুক্তি চাইছে এবং হাজার হাজার সেনার ফোন কল আসছে আমাদের কাছে।”
এই সামরিক অভিযানে তিন মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবরও নিশ্চিত করেছেন ট্রাম্প। সেন্টকম-এর বরাতে তিনি বলেন, “দেশের জন্য সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ করা তিন বীর দেশপ্রেমিকের মৃত্যুতে আমরা পুরো জাতি আজ শোকাহত। আমরা তাঁদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা ও চিরকৃতজ্ঞতা জানাই। তবে অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, এই নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।”
ট্রাম্পের এই বিস্ফোরক বার্তার পর মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এখন অগ্নগর্ভ। বিশ্লেষকদের মতে, খামেনেইর মৃত্যু এবং সামরিক পরিকাঠামো ধ্বংসের এই দাবি যদি সত্য হয়, তবে তা আধুনিক বিশ্ব রাজনীতির মানচিত্র বদলে দিতে পারে।
