
সুপ্রিম কোর্ট আজ শুনতে যাচ্ছে IPAC-এ ED-র তল্লাশি সংক্রান্ত মামলাটি, যা রাজ্য রাজনীতিতে ইতিমধ্যেই তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। ৮ জানুয়ারি সল্টলেকে IPAC-এর অফিস এবং লাউডন স্ট্রিটে IPAC-এর কর্ণধার প্রতীক জৈনের আবাসনে ED অভিযান চালায়। অভিযানের সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে দু’জায়গায় পৌঁছে ফাইল ও বৈদ্যুতিন ডিভাইস সঙ্গে নিয়ে আসেন। ED অভিযোগ করেছে, তারা সেখানে জোর করে প্রবেশ করেছেন, নথি ছিনিয়ে নিয়েছেন এবং অফিসারদের হুমকি দিয়েছেন।
মুখ্যমন্ত্রী পাল্টা হলফনামায় দাবি করেছেন, সব ফাইল ও ডিভাইস ED-এর অনুমতিতে নেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে তাঁর আইনজীবী কপিল সিব্বলের অসুস্থতার কারণে আগের শুনানি পিছিয়ে ১৮ ফেব্রুয়ারি করা হয়েছে। বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্র ও বিচারপতি কেভি বিশ্বনাথনের বেঞ্চ আজ এই শুনানি করবেন। ED-এর পিটিশনে বলা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী এবং শীর্ষ পুলিশকর্তারা অফিসারদের চমকে দিয়ে সেখানে প্রবেশ করেছেন এবং অপরাধ প্রমাণযুক্ত ফাইল ও বৈদ্যুতিন তথ্য ছিনিয়ে নিয়েছেন।
রাজ্য রাজনীতির পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, মামলাটি শুধু আইনগত নয়, রাজনৈতিকভাবেও গুরুত্বপূর্ণ। মামলার রায় বাংলার রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। মুখ্যমন্ত্রী ও ED-র মধ্যে তথ্যের বৈষম্য এবং অভিযোগ-প্রতিযোগিতা সুপ্রিম কোর্ট আজ বিচার করবে। অন্যদিকে, সাধারণ মানুষের নজরও কোর্টের সিদ্ধান্তের দিকে, কারণ এটি ভবিষ্যতে রাজনৈতিক ভারসাম্য নির্ধারণে প্রভাব ফেলতে পারে।
শুনানির পর রায় যে কোনো সময় প্রকাশ করা হতে পারে। এর সঙ্গে সঙ্গে রাজ্যের রাজনৈতিক দলগুলোও সক্রিয় হয়ে উঠেছে, কারণ এই মামলার ফলাফল পরবর্তী নির্বাচনী কৌশলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সুপ্রিম কোর্ট আজ স্পষ্টভাবে বলবে, কি ধরণের প্রমাণ এবং কৌশল আইনগতভাবে গ্রহণযোগ্য।
