
দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণে বিকেল ৫টা পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ভোটদানের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি দেখা গেছে। নির্বাচন কমিশনের প্রাথমিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সার্বিকভাবে ভোট পড়েছে প্রায় ৮৯.৯৯ শতাংশ, যা গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণের এক ইতিবাচক ছবি তুলে ধরছে।
জেলাভিত্তিক হিসেবে দেখা যাচ্ছে, পূর্ব বর্ধমানে সর্বোচ্চ ভোট পড়েছে ৯২.৪৬ শতাংশ। এরপরই রয়েছে হুগলী, যেখানে ভোটদানের হার ৯০.৩৪ শতাংশ। নদীয়াতেও ভোটের হার বেশ ভালো, সেখানে ৯০.২৮ শতাংশ ভোটার তাঁদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করেছেন।
উত্তর ২৪ পরগনায় ভোট পড়েছে ৮৯.৭৪ শতাংশ এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় এই হার ৮৯.৫৭ শতাংশ। শিল্পাঞ্চল হাওড়ায় ভোটদানের হার ৮৯.৪৪ শতাংশ, যা রাজ্যের গড়ের কাছাকাছি।
শহরাঞ্চলে তুলনামূলকভাবে কিছুটা কম ভোট পড়েছে। কলকাতা উত্তরে ভোটদানের হার ৮৭.৭৭ শতাংশ এবং কলকাতা দক্ষিণে ৮৬.১১ শতাংশ ভোট রেকর্ড করা হয়েছে। তবে শহরাঞ্চলেও ভোটারদের উপস্থিতি যথেষ্ট সন্তোষজনক বলেই মনে করা হচ্ছে।
দিনভর বিভিন্ন কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর। কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্ত অভিযোগ এলেও, সামগ্রিকভাবে ভোট প্রক্রিয়া নির্বিঘ্নেই সম্পন্ন হয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থাও ছিল কড়া, যাতে ভোটাররা নির্ভয়ে ভোট দিতে পারেন।
এই উচ্চ ভোটদানের হারকে রাজনৈতিক মহল গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত হিসেবে দেখছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এত বেশি সংখ্যক ভোটারের অংশগ্রহণ ভবিষ্যতের রাজনৈতিক সমীকরণে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
এখন সকলের নজর ফলাফলের দিকে, যেখানে এই বিপুল ভোটদানের প্রতিফলন কীভাবে সামনে আসে, সেটাই দেখার।
