বিকেলের চায়ের সঙ্গে একটু মুচমুচে খাবার হলে আড্ডার মেজাজই বদলে যায়। আলুর চপ, চিকেন কাটলেট বা পকোড়া তো প্রায়ই খাওয়া হয়। কিন্তু এবার চেনা স্বাদের বাইরে গিয়ে বানিয়ে ফেলতে পারেন কাঁচা পেঁপের চিজ কাটলেট। পেঁপে খেতে অনীহা থাকলেও এই রেসিপি খেলে অনেকেই বুঝতে পারবেন না যে মূল উপকরণ পেঁপে। বাইরে থাকবে মুচমুচে কোটিং, আর ভেতরে থাকবে নরম পুরের সঙ্গে গলানো চিজের দারুণ স্বাদ।
এই কাটলেট বানাতে লাগবে গ্রেট করা কাঁচা পেঁপে ২ কাপ, একটি সেদ্ধ আলু, একটি মাঝারি পেঁয়াজ কুচি, ১ চা চামচ আদা-রসুন বাটা, কাঁচামরিচ কুচি, ধনেপাতা কুচি, ভাজা জিরে-ধনে-শুকনো লঙ্কার গুঁড়ো, গরম মশলা, চাট মশলা, কর্নফ্লাওয়ার বা ময়দা, ব্রেডক্রাম্বস বা বিস্কুটের গুঁড়ো, মোজারেলা চিজ, নুন, গোলমরিচ এবং ভাজার জন্য সাদা তেল।
প্রথমে কাঁচা পেঁপের খোসা ছাড়িয়ে ভালো করে গ্রেট করে নিতে হবে। এরপর তাতে সামান্য নুন মাখিয়ে ১০ মিনিট রেখে দিন। জল বেরিয়ে এলে হাত দিয়ে চেপে পেঁপের অতিরিক্ত জল ভালোভাবে ঝরিয়ে নিন। একটি বড় পাত্রে জল ঝরানো পেঁপে, সেদ্ধ আলু, পেঁয়াজ কুচি, আদা-রসুন বাটা, কাঁচামরিচ ও ধনেপাতা একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এবার এতে ভাজা মশলা, গরম মশলা, চাট মশলা, নুন ও গোলমরিচ দিয়ে ভালো করে মেখে নিন। মিশ্রণ বেশি নরম হলে সামান্য ব্রেডক্রাম্বস মেশানো যেতে পারে।
এরপর মিশ্রণ থেকে অল্প অংশ নিয়ে হাতের তালুতে চ্যাপ্টা করুন। মাঝখানে কিছুটা চিজ রেখে চারদিক মুড়ে ওভাল বা গোল আকারে কাটলেট বানিয়ে নিন। আলাদা বাটিতে কর্নফ্লাওয়ার, সামান্য নুন ও জল মিশিয়ে পাতলা ব্যাটার তৈরি করুন। কাটলেটগুলো প্রথমে ব্যাটারে ডুবিয়ে তারপর ব্রেডক্রাম্বসে ভালোভাবে কোট করে নিন। বেশি মুচমুচে করতে চাইলে ডাবল কোট করা যেতে পারে।
ভাজার আগে কাটলেটগুলো ১৫-২০ মিনিট ফ্রিজে রেখে দিন। এতে কোটিং ভালোভাবে সেট হবে। এরপর কড়াইতে তেল গরম করে মাঝারি আঁচে কাটলেটগুলো সোনালি করে ভেজে নিন। তেল ঝরিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন পুদিনার চাটনি, টমেটো সস ও পেঁয়াজের রিংয়ের সঙ্গে। বিকেলের চায়ের আড্ডায় এই পেঁপের চিজ কাটলেট সহজেই হয়ে উঠবে সবার প্রিয় স্ন্যাক্স।
বিকেলের চায়ের সঙ্গী পেঁপের চিজ কাটলেট