
২৬ শে ভোটের আগে রাজ্য জুড়ে সংগঠনকে চাঙ্গা করতে শুরু হচ্ছে ভারতীয় জনতা পার্টির পরিবর্তন যাত্রা। আর সেখানেই অংশ নিতে রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আসন্ন নির্বাচনে বাংলাকে টার্গেট করে প্রচারে জোর দিতে চলেছে বিজেপি। দলের শীর্ষ নেতৃত্বের ধারাবাহিকভাবে সফর অর্থাৎ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পর এবার রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা ও সমালোচনা দুই শুরু রাজনৈতিক মহলে।
ভোটমুখী বাংলায় নতুন কর্মসূচি নিয়ে ময়দানে নামছে বিজেপি। বিজেপি আঁকড়ে ধরল তাদের বহু পরিক্ষিত পরিবর্তন যাত্রা।
বিজেপি সূত্রে খবর, মার্চ মাসের ১ ও ২রা তারিখ থেকেই রথযাত্রার শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ৯ জেলার ৯ প্রান্ত থেকে পরিবর্তন যাত্রা শুরু হবে। জেলাগুলি যথাক্রমে, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুর, নদীয়ার কৃষ্ণনগর, বীরভূমের হাসান, উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালি, পশ্চিম বর্ধমানের কুলটি, হাওড়ার আমতা, পশ্চিম মেদিনীপুরের গরবেতা, দক্ষিণ ২৪ পরগনার রায়দিঘি থেকে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দেবে ৯টি সুসজ্জিত গাড়ি। রাজ্যের মোট ২৯৪টি বিধানসভায় ছুয়ে যাবে বিজেপির এই কর্মসূচি। প্রায় ৫০০০ কিলোমিটারের বিভিন্ন পথ দিয়ে হবে এই যাত্রা।
দলীয় সূত্রে আরো খবর, ৫ বা ৬ই মার্চ কোচবিহারে পরিবর্তনযাত্রায় অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে একটি জনসভা করার কথা রয়েছে তার। সূত্রের খবর পাঁচটি গাড়ি ব্রিগেটে পৌঁছে যাওয়ার পর, ১৩, ১৪ বা ১৫ই মার্চের মধ্যে একদিন ব্রিগেডের সভা করতে পারে বিজেপি। সেই সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকতে পারেন নরেন্দ্র মোদি। তবে বিজেপির এই কর্মসূচির উদ্বোধনী আনুষ্ঠানিক কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন, কেন্দ্রীয় সড়ক ও পরিবর্তন মন্ত্রী নীতিন গডকরি, জেপি নাড্ডা, ধর্মেন্দ্র প্রধান, দেবেন্দ্র ফরণবিশ, শিবনাথ সিং চৌহান এর মতো এক ঝাক নেতা মন্ত্রীদের আনা হবে বলে খবর বিজেপি সূত্রে।
এ প্রসঙ্গে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, এটা রথযাত্রা নয় এটা পরিবর্তন যাত্রা। যেখানে ভোট হয় সেখানে পরিবর্তন যাত্রা বা ভোটে যেতার সংকল্প যাত্রা হয়। যেভাবে এটা সব রাজ্যে হয় তেমনি এরাজ্যেও হবে। অপরদিকে তৃণমূল কটাক্ষ করে বলেছে, বিজেপির সব প্রোগ্রামের নাম রয়েছে ঠিকই, কিন্তু সেই সমস্ত অনুষ্ঠাই শূন্য । বিজেপিকে জনসংযোগ শিখতে হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছ থেকে।
উল্লেখ্য এর আগে শেষ, সিঙ্গুরে সভা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী এরপর বাংলায় আসছে নরেন্দ্র মোদি। যা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের কাছে।
