
১৪৩৩ বঙ্গাব্দের পুণ্য লগ্নে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বুধবার সকালে সমাজমাধ্যম ‘এক্স’-এ দেওয়া এক বার্তায় তিনি বাংলার সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং ভারতের সভ্যতা বিনির্মাণে তার অনন্য অবদানের কথা তুলে ধরেন।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর পোস্টে লেখেন, “শুভ নববর্ষ! পহেলা বৈশাখের অনেক অনেক শুভেচ্ছা।” তিনি আরও যোগ করেন, “আমি প্রার্থনা করি আগামী বছরটি আপনাদের সমস্ত ইচ্ছা পূরণ করুক। সুখ ও ভ্রাতৃত্ববোধ সর্বদা অটুট থাকুক। আপনাদের সুস্বাস্থ্য ও অনেক অনেক আনন্দ কামনা করি। এটি বাংলার কালজয়ী সাংস্কৃতিক সমৃদ্ধি উদযাপন করারও একটি সুযোগ, যা ভারতের সভ্যতার চেতনাকে রূপ দিয়েছে।”
বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণের মধ্যে অন্যতম সেরা উৎসব এই নববর্ষ। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও ত্রিপুরা, ঝাড়খণ্ড ও অসমে ছড়িয়ে থাকা বাঙালিরা অত্যন্ত উৎসাহের সঙ্গে এই দিনটি পালন করেন। নতুন সম্ভাবনা, সমৃদ্ধি এবং ইতিবাচকতার প্রতীক হিসেবেই ১৪৩৩ বঙ্গাব্দকে বরণ করে নেওয়া হচ্ছে।
বাঙালি সংস্কৃতিতে পহেলা বৈশাখকে অত্যন্ত শুভ দিন হিসেবে গণ্য করা হয়। এদিন বহু মানুষ নতুন ব্যবসা শুরু করেন (হালখাতা), নতুন বাড়ি বা গাড়ি কেনেন। ব্যবসায়ী মহলে সিদ্ধিদাতা গণেশ ও লক্ষ্মীদেবীর আরাধনার মাধ্যমে সারা বছরের শ্রীবৃদ্ধি কামনা করার দীর্ঘদিনের পরম্পরা রয়েছে।
সকাল থেকেই দক্ষিণেশ্বর থেকে তারাপীঠ, কালীঘাট থেকে আদ্যাপীঠ সমস্ত মন্দিরে অগণিত ভক্ত সমবেত হয়ে নতুন বছরের মঙ্গলকামনায় প্রার্থনা করেন। আধ্যাত্মিকতা ও সংস্কৃতির এই মেলবন্ধনে প্রতিটি বাঙালির হৃদয় আজ আনন্দ ও গর্বে উদ্বেলিত। প্রধানমন্ত্রী তাঁর বার্তায় এই সম্মিলিত আনন্দের অংশীদার হয়ে বাংলার সংস্কৃতিকে ভারতের গর্ব হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
