
বাংলাদেশের জেলে বন্দী অবস্থায় মৃত্যু হল দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার কাকদ্বীপ এলাকার মৎস্যজীবী বাবুল দাসের। হারুট পয়েন্ট কোস্টাল থানার শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ গ্রাম পঞ্চায়েতের পশ্চিম গঙ্গাধরপুরের বাসিন্দা ২৭ বছরের বাবুল কয়েক মাস আগে মা মঙ্গলচন্ডী নামের ট্রলারে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে পথভ্রষ্ট হয়ে ভারতের জলসীমা অতিক্রম করে বাংলাদেশের এলাকায় ঢুকে পড়ে। সেই অভিযোগে তাকে আটক করে বাংলাদেশ নৌসেনা। তারপর থেকেই বাংলাদেশের জেলে বন্দী জীবন কাটাচ্ছিল এই তরুণ মৎস্যজীবী।
পরিবারের কাছে হঠাৎ খবর আসে যে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বাবুলের মৃত্যু হয়েছে। এই সংবাদ পৌঁছাতেই শোকের ছায়া নেমে আসে দাস পরিবারে। স্থানীয়দের মতে বাবুল ছিলেন মুখ ও বধির, তবু পরিবারের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েই তিনি সমুদ্রে পাড়ি দিতেন। পরিবারের অভিযোগ, বাবুলের মৃত্যু স্বাভাবিক নয় এবং তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। এই দাবি ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ালেও এখনো কোনো সরকারি তথ্য জানা যায়নি।
এদিকে, মৃতের পরিবারের সঙ্গে ইতিমধ্যেই দেখা করেছেন সুন্দরবন শ্রমজীবী মৎস্য ইউনিয়নের সম্পাদক সতীনাথ পাত্র। তিনি জানিয়েছেন, যত দ্রুত সম্ভব বাবুলের দেহ ভারতে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ শুরু হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
